Sharing the Essential Documents relating day to day life including personal and academic needs.
Page list
- Home
- Inorganic Pharmacy-I
- Inorganic Pharmaceutical Chemistry-I
- Physical Pharmacy-I
- Medicinal Chemistry-I
- Pharmaceutical Analysis-II
- Pharma E-Books
- Class Notes: Pharmacy (RU)
- Notes From Teachers (RU)
- Lab Manual
- Essential Software
- Pharma Officials
- Life Today
- Religion
- Essential Fotwa
- Islamic books
- Logo
- Syllabus
- Lab Manuals RU
- Organic Chemistry
- Biopharmaceutics
- Pharmaceutics
- Pharmaceutical Management Notes
- Pharmaceutical Technology
- উচ্চ মাধ্যমিক
- Pharmacognosy
- Lab Manuals DU
- Notes from DU
- Pharmaceutical Engineering
- Pharmacognosy-II Notes
- Mathematics (Solved)
Tuesday, April 21, 2020
Thursday, April 16, 2020
Tuesday, April 7, 2020
ঘরে জামাত ও জুমআ আদায় করার মাসাইল
#ঘরে_জামাত_ও_জুমআ_আদায়_করার_মাসাইল
আল্লহ তায়ালা বলেন:
وَاجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قِبْلَةً وَأَقِيمُوا
الصَّلَاةَ ۗ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ
আর তোমাদের গৃহগুলিকে ইবাদতগৃহ কর, সালাত কায়েম কর এবং মু'মিনদেরকে সুসংবাদ দাও।' সূরা ইউনুস: ৮৭।
وَقَالَ الثَّوْرِيُّ أَيْضًا، عَنِ ابْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ: ﴿وَاجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قِبْلَةً﴾ قَالَ: كَانُوا خَائِفِينَ، فَأُمِرُوا أَنْ يُصَلُّوا فِي بُيُوتِهِمْ.
وَقَالَ مُجَاهِدٌ: ﴿وَاجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قِبْلَةً﴾ قَالَ: لَمَّا خَافَ بَنُو إسرائيل من فِرْعَوْنَ أَنْ يُقْتَلُوا(٥) فِي الْكَنَائِسِ الْجَامِعَةِ، أُمِرُوا أَنْ يَجْعَلُوا بُيُوتَهُمْ مَسَاجِدَ مُسْتَقْبِلَةً الْكَعْبَةَ، يُصَلُّونَ فِيهَا سِرًّا. وَكَذَا قَالَ قَتَادَةُ، وَالضَّحَّاكُ.(تفسير ابن كثير) .
وفي تفسير روح المعاني:
﴿قِبْلَةً﴾ أيْ مُصَلًّى.... والِاخْتِلافُ في المُرادِ هُنا ناظِرٌ لِلِاخْتِلافِ في أنَّ تِلْكَ البُيُوتَ المُتَّخَذَةَ هَلْ لِلسُّكْنى أوْ لِلصَّلاةِ، فَإنْ كانَ الأوَّلَ فالقِبْلَةُ مَجازٌ عَنِ المُصَلّى وإنْ كانَ الثّانِي فَهي مَجازٌ عَنِ المَساجِدِ.
হাদীছে এসেছে,
রসূলুল্লহ সল্লাল্লহু আলায়হি অসাল্লাম বলেন, একজন লোকের সাথে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায় করা থেকে উত্তম।
আর দুইজন লোকের সাথে কোন ব্যক্তির সালাত আদায় করা এক ব্যক্তির সাথে সালাত আদায় করার চেয়ে উত্তম।
আর যতই বৃদ্ধি পাবে ততই আল্লাহর নিকট পছন্দনীয় হবে। -সুনানে আন-নাসায়ী: ৮৪৩।
#জরুরী_মাসাইল:
1. ঘরে দুজন নামাযী থাকলে জামাত করবে। যিনি সহীহ শুদ্ধ কেরাত পারেন তিনিই ইমাম হবেন। কেরাত সমান হলে যার কুরআন সুন্নাহ ও মাসাইলের ইলম বেশি তিনি ইমাম হওয়ার অগ্রাধিকার, এরপর যিনি বেশি তাকওয়াবান, এরপর যিনি বেশি বয়স্ক।
2. মসজিদের আযানের পর জামাত করবে। আযানের আগে মাকরূহ।
3. তবে ওয়াক্ত হলে নিজেরা আযান দিয়েও জামাত করতে পারবে।
4. প্রত্যেক ফরয নামাযের জামাতের জন্য ইকামত দিবে। এটা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। আর একাকি হলে ইকামত দেয়া মুস্তাহাব।
5. আযান-ইকামত দিবে সাবালক পুরুষ বা বুঝমান বালক।
6. আযান-ইকামত নারী দিবে না। যদি একজন পুরুষ ও একজন নারী হয় তাহলে পুরুষ ইমামই ইকামত দিবে।
7. নাবালক যদি বুঝমান ও মাসাইল বেশিও জানে তবুও ইমাম হতে পারবে না, হলে নামায সহীহ হবে না।
8. নারী সাবালক/নাবালক পুরুষের ইমাম হতে পারবে না। তবে শুধু নারীদের ইমাম হতে পারবে, তদুপরি তা অনুচিত।
9. স্বাভাবিকভাবে ঘরে জুমআর নামায পড়বে না। বরং যোহর পড়বে।
10. তবে জুমআর সকল শর্ত পাওয়া গেলে পড়তে পারবে। শর্তগুলো শেষাংশে আসছে, ইনশাআল্লহ!والله تعالى اعلم
Mufti Masum Billah
#জামাত_দাঁড়ানোর_সঠিক_নিয়ম:
“”””””””””””””””””””””””””
#২_জন-
* উভয়ে পুরুষ / ১ জন পুরুষ + ১ জন নাবালক,
“”””””””””””””””””””””””””””””””””””
উভয়ে পায়ের গোড়ালি বরাবর করে দাঁড়াবে।
এটা হানাফী মাযহাবের যাহিরুর রিওয়ায়াত ও বিশুদ্ধতম মত।
তবে ইমামের পায়ের গোড়ালির একটু পেছনে দাঁড়ানোও বৈধ।
* ১ জন পুরুষ + ১ জন নারী হলে,
“”””””””””””””””””””””””””
পুরুষের পেছনের কাতারে নারী দাঁড়াবে,
বা পুরুষের পায়ের গোড়ালির পেছনে নারীর পায়ের আঙুলের মাথা থাকলেও হবে।
শুধু একজন পুরুষ ও একজন মহিলা বা একাধিক মহিলা হলে জামাত পড়া উত্তম না কি একাকি পড়া?
মাহরাম হলে জামাতে পড়া উত্তম আর গায়রে মাহরাম হলে একাকী উত্তম
#৩_জন_বা_ততোধিক,
* সবাই পুরুষ হলে,
“””””””””””””””
ইমাম একা সবার সামনে মাঝ বরাবর দাঁড়াবে।
আর বাকীরা পেছনের কাতারে দাঁড়াবে।
বা জায়গার সংকুলান না হলে,
প্রথম কাতারে মাঝ বরাবর ইমাম একটু আগ বাড়িয়ে দাঁড়াবে। আর মুক্তাদিরা তার দু পাশ দিয়ে একটু পিছে দাঁড়াবে।
* কিছু পুরুষ, কিছু সাবালক/নাবালক ছেলে, কিছু নারী হলে,
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
ইমাম সবার সামনে মাঝ বরাবর দাঁড়াবে,
২য় কাতারে নাবালকরা,
তবে ইমামের পায়ের গোড়ালির একটু পেছনে দাঁড়ানোও বৈধ।
আর শেষ কাতারে নারীরা দাঁড়াবে।
* ১ জন পুরুষ, ১জন সাবালক/নাবালক ছেলে, ১ নারী হলে,
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
পুরুষ ইমাম সবার সামনে দাঁড়াবে,
তার বরাবর নাবালক ছেলে দাঁড়াবে,
তবে ইমামের পায়ের গোড়ালির একটু পেছনে দাঁড়ানোও বৈধ।
তার পেছনে নারী দাঁড়াবে ।
* সবাই নারী হলে,
“””””””””””””””
প্রথম কাতারের নারী মুক্তাদীদের মাঝ বরাবর নারী ইমাম দাঁড়াবে।
والله تعالى اعلم
Mufti Masum Billah
#ঘরে_জুমআর_নামায_পড়ার_মাসাইল
“”””””””””””””””””””””””””””””””
জুমআর নামায ইসলামের অন্যতম একটি নামায।
جُمُعَة (জুমু'আহ) শব্দটি আরবী । এর অর্থ একত্রিত হওয়া, সম্মিলিত হওয়া, কাতারবদ্ধ হওয়া ।
যেহেতু, সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মু'মিন-মুসলমান একটি নির্দিষ্ট সময়ে একই স্থানে একত্রিত হয়ে জামা'আতের সাথে সে দিনের যুহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ ফরযরূপে আদায় করে, সে জন্য এই নামাযকে "জুমআর নামায" বলা হয়।
সময় একই হলেও যোহরের সাথে জুমার নামাজের নিয়মগত কিছু পার্থক্য রয়েছে।
জুমার নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা আবশ্যিক এবং তা একাকী আদায় করার নিয়ম নেই। কুরআনে জুমআর নামাজের সময় হলে কাজ বন্ধ করে নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার প্রতি তাগিদ দেয়া হয়েছে।
জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার শর্তগুলো :
জুমার নামাজ প্রত্যেক মুসলিম পুরুষের ওপর সাধারণভাবে ফরজ নয়।
এটি ফরজ হওয়ার জন্য ইসলামী শরিয়তের নির্দিষ্ট শর্তগুলো বিদ্যমান থাকতে হবে।
নিম্নের উল্লিখিত শর্তগুলো পাওয়া গেলেই জুমার নামাজ আদায় করা ফরজ হবে।
শর্তগুলো হলো:
১) পুরুষ হওয়া,
২) স্বাধীন হওয়া,
৩) শহরে মুকিম তথা স্থায়ী নিবাসী বা ১৫ দিনের নিয়তে অবস্থানকারী হওয়া,
৪) সুস্থ হওয়া,
৫) জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া ও
৬) প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া।
তবে নারীদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ নয়। তারা জুমার পরিবর্তে সেই দিনের জোহরের নামাজ আদায় করবে।
তবে জুমআ পড়লে সহীহ হবে।
তদ্রুপ,
কোনো ব্যক্তি যদি কারণবশত (যেমন খুব অসুস্থ ব্যক্তি) জুমা আদায় করতে না পারে তবে তার ক্ষেত্রে যুহরের নামাজ আদায় করা নিয়ম। তাছাড়া কিছু ক্ষেত্রে সুস্থ ব্যক্তির উপর, যেমন মুসাফির অবস্থায় জুমার আবশ্যকতা থাকে না এবং সেক্ষেত্রে যুহরের নামাজ আদায় করলে তা গ্রহণীয় হয়।
তবে মুসাফির চাইলে জুমা আদায় করতে পারে।
জুমার জামাত অনুষ্ঠানের শর্তগুলো :
জুমার জামাত অনুষ্ঠানের জন্য কতগুলো শর্ত রয়েছে। সেসব শর্ত মেনে জুমার নামাজ জামাতে আদায় করতে হবে।
শর্তগুলো হলো :
1. জোহরের সময় হওয়া।
2. জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থান হওয়া তথা বাহিরের মুসল্লীদের প্রবেশাধিকার থাকা। তবে নিরাপত্তা জনিত কারণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জুমআ সহীহ হওয়ার প্রতিবন্ধক নয়।
3. ইমাম ছাড়া তিনজন পুরুষের জামাত হওয়া
4. জামাতের উপস্থিতিতে খুতবা দেয়া
5. নামাজের পূর্বে দু’টি খুতবা দেয়া।
খুতবা আরবীতে হতে হবে।
খুতবায় থাকতে হবে আল্লাহর প্রশংসা, তাঁর জিকির ও শুকরিয়া।
আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্যের প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং আল্লাহর ভয়ের ব্যাপারে নসিহত।
দুই খুতবার মাঝখানে অল্প কিছু সময়ের বিরতি নিবে।والله تعالى اعلم
Mufti Masum Billah
আল্লহ তায়ালা বলেন:
وَاجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قِبْلَةً وَأَقِيمُوا
الصَّلَاةَ ۗ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ
আর তোমাদের গৃহগুলিকে ইবাদতগৃহ কর, সালাত কায়েম কর এবং মু'মিনদেরকে সুসংবাদ দাও।' সূরা ইউনুস: ৮৭।
وَقَالَ الثَّوْرِيُّ أَيْضًا، عَنِ ابْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ: ﴿وَاجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قِبْلَةً﴾ قَالَ: كَانُوا خَائِفِينَ، فَأُمِرُوا أَنْ يُصَلُّوا فِي بُيُوتِهِمْ.
وَقَالَ مُجَاهِدٌ: ﴿وَاجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قِبْلَةً﴾ قَالَ: لَمَّا خَافَ بَنُو إسرائيل من فِرْعَوْنَ أَنْ يُقْتَلُوا(٥) فِي الْكَنَائِسِ الْجَامِعَةِ، أُمِرُوا أَنْ يَجْعَلُوا بُيُوتَهُمْ مَسَاجِدَ مُسْتَقْبِلَةً الْكَعْبَةَ، يُصَلُّونَ فِيهَا سِرًّا. وَكَذَا قَالَ قَتَادَةُ، وَالضَّحَّاكُ.(تفسير ابن كثير) .
وفي تفسير روح المعاني:
﴿قِبْلَةً﴾ أيْ مُصَلًّى.... والِاخْتِلافُ في المُرادِ هُنا ناظِرٌ لِلِاخْتِلافِ في أنَّ تِلْكَ البُيُوتَ المُتَّخَذَةَ هَلْ لِلسُّكْنى أوْ لِلصَّلاةِ، فَإنْ كانَ الأوَّلَ فالقِبْلَةُ مَجازٌ عَنِ المُصَلّى وإنْ كانَ الثّانِي فَهي مَجازٌ عَنِ المَساجِدِ.
হাদীছে এসেছে,
রসূলুল্লহ সল্লাল্লহু আলায়হি অসাল্লাম বলেন, একজন লোকের সাথে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায় করা থেকে উত্তম।
আর দুইজন লোকের সাথে কোন ব্যক্তির সালাত আদায় করা এক ব্যক্তির সাথে সালাত আদায় করার চেয়ে উত্তম।
আর যতই বৃদ্ধি পাবে ততই আল্লাহর নিকট পছন্দনীয় হবে। -সুনানে আন-নাসায়ী: ৮৪৩।
#জরুরী_মাসাইল:
1. ঘরে দুজন নামাযী থাকলে জামাত করবে। যিনি সহীহ শুদ্ধ কেরাত পারেন তিনিই ইমাম হবেন। কেরাত সমান হলে যার কুরআন সুন্নাহ ও মাসাইলের ইলম বেশি তিনি ইমাম হওয়ার অগ্রাধিকার, এরপর যিনি বেশি তাকওয়াবান, এরপর যিনি বেশি বয়স্ক।
2. মসজিদের আযানের পর জামাত করবে। আযানের আগে মাকরূহ।
3. তবে ওয়াক্ত হলে নিজেরা আযান দিয়েও জামাত করতে পারবে।
4. প্রত্যেক ফরয নামাযের জামাতের জন্য ইকামত দিবে। এটা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। আর একাকি হলে ইকামত দেয়া মুস্তাহাব।
5. আযান-ইকামত দিবে সাবালক পুরুষ বা বুঝমান বালক।
6. আযান-ইকামত নারী দিবে না। যদি একজন পুরুষ ও একজন নারী হয় তাহলে পুরুষ ইমামই ইকামত দিবে।
7. নাবালক যদি বুঝমান ও মাসাইল বেশিও জানে তবুও ইমাম হতে পারবে না, হলে নামায সহীহ হবে না।
8. নারী সাবালক/নাবালক পুরুষের ইমাম হতে পারবে না। তবে শুধু নারীদের ইমাম হতে পারবে, তদুপরি তা অনুচিত।
9. স্বাভাবিকভাবে ঘরে জুমআর নামায পড়বে না। বরং যোহর পড়বে।
10. তবে জুমআর সকল শর্ত পাওয়া গেলে পড়তে পারবে। শর্তগুলো শেষাংশে আসছে, ইনশাআল্লহ!والله تعالى اعلم
Mufti Masum Billah
#জামাত_দাঁড়ানোর_সঠিক_নিয়ম:
“”””””””””””””””””””””””””
#২_জন-
* উভয়ে পুরুষ / ১ জন পুরুষ + ১ জন নাবালক,
“”””””””””””””””””””””””””””””””””””
উভয়ে পায়ের গোড়ালি বরাবর করে দাঁড়াবে।
এটা হানাফী মাযহাবের যাহিরুর রিওয়ায়াত ও বিশুদ্ধতম মত।
তবে ইমামের পায়ের গোড়ালির একটু পেছনে দাঁড়ানোও বৈধ।
* ১ জন পুরুষ + ১ জন নারী হলে,
“”””””””””””””””””””””””””
পুরুষের পেছনের কাতারে নারী দাঁড়াবে,
বা পুরুষের পায়ের গোড়ালির পেছনে নারীর পায়ের আঙুলের মাথা থাকলেও হবে।
শুধু একজন পুরুষ ও একজন মহিলা বা একাধিক মহিলা হলে জামাত পড়া উত্তম না কি একাকি পড়া?
মাহরাম হলে জামাতে পড়া উত্তম আর গায়রে মাহরাম হলে একাকী উত্তম
#৩_জন_বা_ততোধিক,
* সবাই পুরুষ হলে,
“””””””””””””””
ইমাম একা সবার সামনে মাঝ বরাবর দাঁড়াবে।
আর বাকীরা পেছনের কাতারে দাঁড়াবে।
বা জায়গার সংকুলান না হলে,
প্রথম কাতারে মাঝ বরাবর ইমাম একটু আগ বাড়িয়ে দাঁড়াবে। আর মুক্তাদিরা তার দু পাশ দিয়ে একটু পিছে দাঁড়াবে।
* কিছু পুরুষ, কিছু সাবালক/নাবালক ছেলে, কিছু নারী হলে,
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
ইমাম সবার সামনে মাঝ বরাবর দাঁড়াবে,
২য় কাতারে নাবালকরা,
তবে ইমামের পায়ের গোড়ালির একটু পেছনে দাঁড়ানোও বৈধ।
আর শেষ কাতারে নারীরা দাঁড়াবে।
* ১ জন পুরুষ, ১জন সাবালক/নাবালক ছেলে, ১ নারী হলে,
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
পুরুষ ইমাম সবার সামনে দাঁড়াবে,
তার বরাবর নাবালক ছেলে দাঁড়াবে,
তবে ইমামের পায়ের গোড়ালির একটু পেছনে দাঁড়ানোও বৈধ।
তার পেছনে নারী দাঁড়াবে ।
* সবাই নারী হলে,
“””””””””””””””
প্রথম কাতারের নারী মুক্তাদীদের মাঝ বরাবর নারী ইমাম দাঁড়াবে।
والله تعالى اعلم
Mufti Masum Billah
#ঘরে_জুমআর_নামায_পড়ার_মাসাইল
“”””””””””””””””””””””””””””””””
জুমআর নামায ইসলামের অন্যতম একটি নামায।
جُمُعَة (জুমু'আহ) শব্দটি আরবী । এর অর্থ একত্রিত হওয়া, সম্মিলিত হওয়া, কাতারবদ্ধ হওয়া ।
যেহেতু, সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মু'মিন-মুসলমান একটি নির্দিষ্ট সময়ে একই স্থানে একত্রিত হয়ে জামা'আতের সাথে সে দিনের যুহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ ফরযরূপে আদায় করে, সে জন্য এই নামাযকে "জুমআর নামায" বলা হয়।
সময় একই হলেও যোহরের সাথে জুমার নামাজের নিয়মগত কিছু পার্থক্য রয়েছে।
জুমার নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা আবশ্যিক এবং তা একাকী আদায় করার নিয়ম নেই। কুরআনে জুমআর নামাজের সময় হলে কাজ বন্ধ করে নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার প্রতি তাগিদ দেয়া হয়েছে।
জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার শর্তগুলো :
জুমার নামাজ প্রত্যেক মুসলিম পুরুষের ওপর সাধারণভাবে ফরজ নয়।
এটি ফরজ হওয়ার জন্য ইসলামী শরিয়তের নির্দিষ্ট শর্তগুলো বিদ্যমান থাকতে হবে।
নিম্নের উল্লিখিত শর্তগুলো পাওয়া গেলেই জুমার নামাজ আদায় করা ফরজ হবে।
শর্তগুলো হলো:
১) পুরুষ হওয়া,
২) স্বাধীন হওয়া,
৩) শহরে মুকিম তথা স্থায়ী নিবাসী বা ১৫ দিনের নিয়তে অবস্থানকারী হওয়া,
৪) সুস্থ হওয়া,
৫) জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া ও
৬) প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া।
তবে নারীদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ নয়। তারা জুমার পরিবর্তে সেই দিনের জোহরের নামাজ আদায় করবে।
তবে জুমআ পড়লে সহীহ হবে।
তদ্রুপ,
কোনো ব্যক্তি যদি কারণবশত (যেমন খুব অসুস্থ ব্যক্তি) জুমা আদায় করতে না পারে তবে তার ক্ষেত্রে যুহরের নামাজ আদায় করা নিয়ম। তাছাড়া কিছু ক্ষেত্রে সুস্থ ব্যক্তির উপর, যেমন মুসাফির অবস্থায় জুমার আবশ্যকতা থাকে না এবং সেক্ষেত্রে যুহরের নামাজ আদায় করলে তা গ্রহণীয় হয়।
তবে মুসাফির চাইলে জুমা আদায় করতে পারে।
জুমার জামাত অনুষ্ঠানের শর্তগুলো :
জুমার জামাত অনুষ্ঠানের জন্য কতগুলো শর্ত রয়েছে। সেসব শর্ত মেনে জুমার নামাজ জামাতে আদায় করতে হবে।
শর্তগুলো হলো :
1. জোহরের সময় হওয়া।
2. জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থান হওয়া তথা বাহিরের মুসল্লীদের প্রবেশাধিকার থাকা। তবে নিরাপত্তা জনিত কারণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জুমআ সহীহ হওয়ার প্রতিবন্ধক নয়।
3. ইমাম ছাড়া তিনজন পুরুষের জামাত হওয়া
4. জামাতের উপস্থিতিতে খুতবা দেয়া
5. নামাজের পূর্বে দু’টি খুতবা দেয়া।
খুতবা আরবীতে হতে হবে।
খুতবায় থাকতে হবে আল্লাহর প্রশংসা, তাঁর জিকির ও শুকরিয়া।
আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্যের প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং আল্লাহর ভয়ের ব্যাপারে নসিহত।
দুই খুতবার মাঝখানে অল্প কিছু সময়ের বিরতি নিবে।والله تعالى اعلم
Mufti Masum Billah
Monday, March 23, 2020
Saturday, March 14, 2020
সোশ্যাল মিডিয়ায় নাস্তিক্যবাদ : ঈমান-লুটেরাদের থেকে সন্তানকে বাঁচান
মুফতি মুহাম্মদ তাকী উছমানী ।।
মুসলিমের সন্তান তার মা-বাবার জন্য পার্থিব নিআমতই শুধু নয়; আখিরাতের সঞ্চয় ও শ্রেষ্ঠ সদকায়ে জারিয়াও বটে, যদি সে সন্তান হয় ঈমানদার।
সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে ঈমান-লুটেরার দল কীভাবে নীরবে আমাদের আগামী প্রজন্মকে নাস্তিক্যবাদের দিকে ধাবিত করছে তার কিছু বৃত্তান্ত এই লেখায় উপস্থাপন করব। দৃশ্যত অধ্যয়ন ও এন্টারটেইনমেন্টের সদুদ্দেশ্যে যে মা-বাবা তাদের কচিকাঁচা সন্তানকে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের অবাধ স্বাধীনতা দিয়ে রেখেছেন বিশেষভাবে তাঁরা এই লেখাটা পড়–ন। আল্লাহ না করুন আপনার সন্তানও হয়ত এই ফিতনার শিকার হয়ে ঈমান হারানোর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে অথচ সে সম্পর্কে আপনার বিন্দু-বিসর্গও জানা নেই।
করাচি, লাহোর, ইসলামাবাদ ও পাকিস্তানের অন্যান্য শহরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নাস্তিক্যবাদ এখন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সাধারণত মুসলিম পরিবারের ১৫-২০ বছর বয়সের ছেলে-মেয়েরাই এতে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। উদাহরণ এক-দুটি নয়, শত শত। উলামায়ে কেরাম দিন-রাত তা লক্ষ্য করছেন।
বিষয়টি এই যে, সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষত ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে এমন অসংখ্য একাউন্ট আছে, যেগুলোর কাজই হচ্ছে দিন-রাত বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে আল্লাহ্র অস্তিত্ব অস্বীকার করে যাওয়া, ইসলামের বিধি-বিধান নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা, আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আপত্তি তোলা এবং আলিম-উলামাদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের নিশানা বানানো।
এদের অধিকাংশই ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন এনজিওর সাথে যুক্ত এবং এদের টার্গেটই এটা। এগুলোর নামের ধরন সাধারণত এরকম হয়ে থাকে-
Ex-Muslims Together // Atheist Muslims// Muslims Liberated // Muslims Awakening // Islam Exposed
এদের কর্মী ও সহমত পোষণকারী হিসেবে রয়েছে শত শত ছেলে-মেয়ে, যারা ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত। এদের অধিকাংশই দ্বীন সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ ও পশ্চিমা শিক্ষা-ব্যবস্থার প্রোডাক্ট। এরা পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও অন্যান্য মুসলিম দেশের তরুণ-তরুণীদের দলে ভেড়ানোর কাজে ব্যস্ত। এরা দৃশ্যত মুসলিম-সংশ্লিষ্ট নামের একাউন্ট রাখলেও মতাদর্শগতভাবে নাস্তিক্যবাদী।
এদের আলোচনার ধরন অনেকটা এরকম…
প্রথম দিকে ইসলামের উপর প্রশ্ন তোলা হয় না; বরং কিছু কিছু ইসলামী বিধানকে সাইন্স ও লজিকের মানদণ্ডে পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে এমন কিছু দ্বীনী বিষয়ই নির্বাচন করা হয়, যা সাইন্স দ্বারাও প্রমাণিত। এই উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে এই মানসিকতা গঠন করা হয় যে, দ্বীনের সকল বিধান বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আর বিজ্ঞান যা সমর্থন করে তা নিঃসন্দেহে সত্য।
এর পরের ধাপে আলোচনায় আনা হয় ঐসকল বিষয়, যা সাইন্সের আওতার ঊর্ধ্বে। যেমন আল্লাহ্র অস্তিত্ব ও গুণাবলি, অহী, মিরাজ ইত্যাদি, যা একান্তই গায়েবের বিষয়। এগুলোও সন্দেহাতীতভাবে সত্য তবে সাইন্সের আওতা-বহির্ভূত। কিন্তু ইতিপূর্বে যেহেতু মানসিকতাটা এভাবেই তৈরি করা হয়েছে যে, সত্য-মিথ্যা নিরূপণের অব্যর্থ মাপকাঠি হচ্ছে সাইন্স, তাই এ ধাপে এসে এই মৌলিক আকীদাগুলো সম্পর্কে সংশয় দানা বাঁধতে থাকে। (দ্বীনের সঠিক জ্ঞান না থাকা আর সাইন্সের ব্যাপারে অতিউৎসাহের ফলে কোন্ বিষয়টি সাইন্সের আওতাভুক্ত আর কোন্টি তার আওতা-বহির্ভূত- তা উপলব্ধি করার ফুরসত থাকে না।)
এর পরের ধাপে আরো অগ্রসর হয়ে সরাসরি আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যক্তিগত জীবনের নির্দিষ্ট কিছু দিক আলোচনায় নিয়ে আসা হয়। এ পর্যায়ে এমন কিছু বিষয়কে বিকৃতভাবে তুলে ধরা হয়, যা দ্বীন সম্পর্কে অসচেতন ব্যক্তিদের সাধারণ জ্ঞান-বুদ্ধির উপরের। যেমন দাস-প্রথা, নারী-পুরুষে সমতা, আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একধিক বিয়ে ও দাসী, বিয়ের সময় আম্মাজান আয়েশা রা.-এর বয়স ইত্যাদি।
প্রজ্ঞাবান মুসলিমের কাছে এই বিষয়গুলো স্পষ্ট, কিন্তু কাঁচা বুদ্ধির আবেগপ্রবণ মুসলিম ছেলে-মেয়ের কাছে, যারা একে তো দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ, অন্যদিকে পশ্চিমা চিন্তা-ধারা ও জীবন-ধারায় প্রভাবিত, এ বিষয়গুলো খুবই অস্বস্তিকর ও দুর্বোধ্য হয়ে দাঁড়ায়।
এদিকে দ্বীন ও উলামায়ে দ্বীনের সাথে মেলামেশা না থাকায় এসবের সঠিক স্বস্তিদায়ক উত্তর পাওয়ারও তাদের রাস্তা থাকে না। এরা তখন গুগল ও ইন্টারনেটের শরণাপন্ন হয়, যেখানে নাস্তিক্যবাদী ও ধর্ম-বিদ্বেষীদের পূর্ব প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ওয়েবসাইট তাদের সন্দেহ-সংশয়কে অটল বিশ্বাসে রূপান্তরিত করে। এরপর ঈমান খুব দ্রুত বিদায় নিয়ে যায়।
হজ্ব-কুরবানী থেকে শুরু করে বিয়েশাদী ও মীরাছের বিধি-বিধান পর্যন্ত ইসলামের প্রত্যেক বিধানকে পশ্চিমের সরবরাহকৃত মাপকাঠিতে পরীক্ষা করার পর অবশেষে একে মনগড়া ধর্ম আখ্যা দিয়ে নীরবে তার সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করা হয়। (নাউযু বিল্লাহ)
প্রকাশ্যে ইসলামের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ, আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শানে গোস্তাখী ও আল্লাহ্র অস্তিত্বের অস্বীকারের পর্যায়টা এর পরে আসে। এরপর এই ছেলে-মেয়েগুলোই ঐসব সংগঠনের ক্রীড়নকে পরিণত হয়ে যায়। বন্ধু-বান্ধবকেও দ্বীন-ধর্ম সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ করতে থাকে।
এই গোটা বিষয়টা আমাদের আশেপাশেই ঘটছে। আমাদের পাশে বসেই ১৫-২৫ বয়সের তরুণ-তরুণীরা টুইটার, ফেসবুক ইত্যাদিতে এই কাজ করে চলেছে, কিন্তু আমরা একেবারেই বেখবর।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সন্তান-সন্ততিকে আমরা কীভাবে রক্ষা করতে পারি। এ প্রসঙ্গে নীচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন :
-মাঝেমধ্যে আলেমদের কাছে ও বুযুর্গানে দ্বীনের মজলিসে নিজেও যান, সন্তানকেও নিয়ে যান। যেন তাদের সাথে স্বাভাবিক পরিচয় গড়ে ওঠে এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাদের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারে।
-সন্তান-সন্ততিকে কাছে টেনে নিন, ভালবাসুন। তাদের সমস্যাগুলো শুনুন ও পরামর্শ দিন। তাদের সাথে নিজের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরামর্শ করুন এবং তাদেরকে নিজের চিন্তা-ভাবনার ধারক হিসেবে গড়ে তুলুন।
আপনি যদি তাদের দূরে ঠেলে রাখেন তাহলে বিপথগামী লোকেরা ওদের কাছে টেনে নেবে।
-ধীরে ধীরে নিজের ধর্ম সম্পর্কে জানুন এবং ঘরেও তা আলোচনা করুন।
-ছেলে-মেয়ে ছোট হলে তাদের জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনী শিক্ষা-দীক্ষারও ব্যবস্থা করুন।
-অতি প্রয়োজন ছাড়া বাচ্চাদের হাতে স্মার্টফোন দেয়া থেকে বিরত থাকুন নিজেও তা থেকে বিরত থাকুন।
-একান্ত দিতে হলে শর্তসাপেক্ষে দিন, অসময়ে এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করুন। রাতে সবার ফোন নিজের কক্ষে জমা রাখুন। এর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করুন।
-বিনা কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানো থেকে নিজেও বাঁচুন, ছেলে-মেয়েকেও বাঁচান।
-ছেলে-মেয়ের সামনে সবসময় ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
-যে কোনো প্রশ্ন বা সংশয়ের জবাব পেতে ইন্টারনেটের সামনে না বসে বিজ্ঞ আলেমের শরণাপন্ন হোন।
ঈমানদারের সবচেয়ে বড় সাফল্য, ঈমানকে নিরাপদে কবরে নিয়ে যাওয়া। ছেলে-মেয়েকে ঈমান-লুটেরাদের কবল থেকে রক্ষা করুন। যেন আমাদের আগামী প্রজন্মের মাঝেও দ্বীন ও ঈমান বাকি থাকে।
আল্লাহ তাআলা হেফাযত করুন- আমীন।
অনুবাদে : মুহাম্মাদ যাকারিয়া আবদুল্লাহ
Sunday, March 8, 2020
হ য ব র ল জীবন
জীবনের জন্য জীবন (নৃশংস হত্যাকান্ড)
রাস্তার পাশের খাবার
জিকিরের ঢেউ
হুজুরের ট্যালেন্ট আছে বলতে হবে
Saturday, February 29, 2020
Monday, February 17, 2020
উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন ও পদার্থ বিজ্ঞান
Chemistry 2nd Part (রসায়ন ২য় পত্র ১১শ-১২ শ)
Chemistry 1st Part উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন ১ম পত্র
(হাজারী -নাগ)
Chemistry 1st Part উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন ১ম পত্র
(হাজারী -নাগ)
Chemistry 2nd Part উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন ২য় পত্র
(হাজারী -নাগ)
(হাজারী -নাগ)
Physics 2nd Part উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র
(শাহজাহান তপন)
(শাহজাহান তপন)
Sunday, February 16, 2020
Mechanism of Action of Individual Drugs-Medicinal Chemistry
Cardiovascular drugs-Medicinal Chemistry
Diuretics-Medicinal Chemistry
Antihistamines- Medicinal Chemistry
Diuretics-Medicinal Chemistry
Antihistamines- Medicinal Chemistry
Subscribe to:
Posts (Atom)















































